Skip to content

আমদানি জটিলতায় শীতবস্ত্রের ঘাটতি | বাংলাদেশ

আমদানি জটিলতায় শীতবস্ত্রের ঘাটতি | বাংলাদেশ

<![CDATA[

সারা দেশে জেঁকে বসা তীব্র শীতে জমজমাট আমদানি হওয়া পুরাতন কাপড়ের বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের আমিন মার্কেট। উত্তরবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গেল সপ্তাহে পাইকারি ব্যবসায়ীরা আসছেন পুরাতন শীতবস্ত্র কিনতে। তবে এবার এলসি খোলা জটিলতায় কম কাপড় আমদানি হওয়ার কথা জানান ব্যবসায়ীরা। ফলে চাহিদা অনুযায়ী জোগানের ঘাটতি আছে পুরাতন এসব শীত বস্ত্রের। এতে বিপাকে স্বল্প ও নিম্ন আয়ের ক্রেতারা।

সরেজমিন দেখা যায়, গুদামগুলোতে থরে থরে সাজানো আমদানি হওয়া পুরানো কাপড়ের গাঁইট। শীত মৌসুম এলেই দেশের বৃহত্তম ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের একটি অংশের চিত্র পাল্টে যায়। তাইওয়ান, কোরিয়া, চীন ও জাপান থেকে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আনা হয় এসব পুরাতন কাপড়ের গাঁইট। শীত যতদিন থাকে, খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরাও ততদিন এ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকেন।

আরও পড়ুন: বরিশালে জমে উঠেছে পুরনো কাপড়ের হাট

দেশে ব্যাপক শীত পড়ায় চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। তবে এলসি খোলার জটিলতায় এবার আমদানিকারকরা কম কাপড় আমদানি করতে পেরেছেন বলে দাবি তাদের।

পুরাতন কাপড় আমদানিকারক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মনজুর আলম বলেন, ‘কিছুদিন ধরে সারা দেশে ব্যাপক শীত পড়ায় কাপড়ের চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। তবে এ বছর এলসি খোলার জটিলতায় আমদানিকারকরা কয়েক বছরের তুলনায় কম কাপড় আমদানি করতে পেরেছেন। তা ছাড়া ডলারের দাম বাড়ার কারণে প্রতি গাঁইটে মূল্য দ্বিগুণ গুনতে হয়েছে।’

আরও পড়ুন: রংপুরে শীতের কাপড়ের জমজমাট ব্যবসা

চাহিদা অনুযায়ী পুরাতন শীতবস্ত্র সরবরাহের ব্যাপারে পুরাতন কাপড় আমদানিকারক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম জানান, গত অর্থবছর সরকার পুরাতন কাপড় আমদানিকারকদের লাইসেন্স পাঁচ হাজার থেকে কমিয়ে তিন হাজার টাকা করে দেয়। ফলে চাহিদা অনুযায়ী পুরাতন শীতবস্ত্র সরবরাহ করতে পারছেন না তারা।

আরও পড়ুন: শীতের তীব্রতায় শুকনো কাশি আর কফে করণীয়

দেশের উত্তরবঙ্গে হতদরিদ্র মানুষ এসব পুরাতন কাপড়ের প্রধান ক্রেতা হলেও বড় বড় শহরে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের একটি বিরাট অংশ শীতকালে এসব কাপড়ের ওপর নির্ভরশীল।

পুরাতন কাপড় আমদানিকারক মেসার্স ফারুক অ্যান্ড ব্রাদার্সের মালিক কাজী জাকির হোসেন বলেন, ‘দেশের উত্তরবঙ্গে হতদরিদ্র মানুষ মূলত এসব পুরাতন কাপড়ের প্রধান ক্রেতা হলেও বড় বড় শহরে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের একটি বিরাট অংশ শীতকালে এসব কাপড়ের ওপর নির্ভরশীল। যার জোগান দেয় এখান থেকে কিনে নেয়া পাইকারি বিক্রেতারা।’

আরও পড়ুন: শীতের একেকটি রাত যেন তাদের কাছে দুঃস্বপ্ন

শীতবস্ত্রের চার মাসের এ ব্যবসায় শতকোটি টাকা বিনিয়োগ করেন ব্যবসায়ীরা। যেখানে আমদানিকারক ছাড়াও পাইকারি ও খুচরা ব্যবসার মাধ্যমে যুক্ত আরও প্রায় এক লাখের বেশি মানুষ।

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *