Skip to content

গাইবান্ধায় সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহে ভাটা | বাংলাদেশ

গাইবান্ধায় সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহে ভাটা | বাংলাদেশ

<![CDATA[

গাইবান্ধায় চলতি রোপা আমন মৌসুমের ধান ও চাল কেনা কার্যক্রম শুরু অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বাজারদর ভালো হওয়ায় অর্জিত হচ্ছে না লক্ষ্যমাত্রা।

লাইসেন্স বাঁচাতে কিছু মিলার চাল দেয়ার চুক্তি করলেও কোনো কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করতে পারেনি জেলার খাদ্য গুদামগুলো।

খাদ্য বিভাগের তথ্য মতে, জেলার সাত উপজেলায় এবার ১ লাখ ২৯ হাজার ৬৯৯ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছিল। প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হওয়ায় ধানের বাম্পার ফলন হয়।

চলতি অর্থবছর জেলায় ৬২ হাজার ৩৪৪ মেট্রিক টন আমন ধান ও ৭৫৯টি চালকলের মাধ্যমে ১১ হাজার ৯৮৬ মেট্রিক টন চাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে জেলা খাদ্য বিভাগ।

আরও পড়ুন: বন্ধ মিল থেকেও ধান-চাল সংগ্রহ করছে খাদ্য বিভাগ

চাল কল মালিকদের সঙ্গে খাদ্য বিভাগের চুক্তিবদ্ধ হওয়ার শেষ দিন ছিল ২৬ নভেম্বর। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও গাইবান্ধার সাত উপজেলার অধিকাংশ মিল মালিক চুক্তি না করায় পরবর্তীতে এ চুক্তির মেয়াদ ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। কিন্তু বর্ধিত সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো অর্জিত হচ্ছে না লক্ষ্যমাত্রা।

চালকল মালিক সমিতির নেতা ও মিলাররা জানান, বাজারে ধানের দাম বেশি। ধান কিনে চাল করতে তাদের যে খরচ হয়, তাতে সরকারি দামে গোডাউনে চাল দিতে তাদের লোকসান গুণতে হচ্ছে। যে কারণে তারা চাল দিতে চান না। জেলা ও উপজেলার খাদ্য বিভাগের চাপে লাইসেন্স এবং জামানত বাঁচাতে কিছু কিছু মিলার বাধ্য হয়ে চাল দিচ্ছেন। এদিকে চালের পাশাপাশি জেলায় ধান সংগ্রহের একই অবস্থা। প্রতি বছর সরকারি গোডাউনগুলোতে ধান দেয়ার প্রতিযোগিতা থাকলেও এবার তা নেই।

কৃষকরা জানান, সরকারিভাবে নির্ধারিত দামের চেয়ে বাজারে ধানের দাম মণ প্রতি ১০০ থেকে ২০০ টাকা বেশি হওয়ায় গোডাউনে ধান দিচ্ছেন না তারা। তাই নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও ধান সংগ্রহ করতে পারেনি গোডাউনগুলো।

আরও পড়ুন: ‘ধান-চালের নতুন দামে কৃষক বঞ্চিত হবে না’

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মো. অলিউর রহমান জানান,  বাজারের চেয়ে সরকারি নির্ধারিত মূল্য কম হওয়ায় মিলার ও কৃষকরা ধান এবং চাল দিতে আগ্রহী হচ্ছেন না। তবে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মিল মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি তাদের আবারও সময় দেয়া হয়েছে তার মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের চেষ্টা করা হবে এবং সরকারি মূল্য নিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হবে।

এবার সরকারিভাবে চাল প্রতি কেজি ৪২ টাকা ও ধান প্রতি কেজি ২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যেখানে বাজারে সর্বনিম্ন চাল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা এবং ধান ৩০ থেকে ৩২ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে বলে জানান মিল মালিক ও কৃষকরা।

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *