Skip to content

জামিন পেয়েই ‘উধাও’ ই-অরেঞ্জের সোহেল রানা | আন্তর্জাতিক

জামিন পেয়েই ‘উধাও’ ই-অরেঞ্জের সোহেল রানা | আন্তর্জাতিক

<![CDATA[

ভারতে অনুপ্রবেশের মামলায় জামিন পাওয়ার পর প্রশাসনের নজর এড়িয়ে পালিয়েছেন আলোচিত ই-কমার্স কোম্পানি ই-অরেঞ্জের পৃষ্ঠপোষক ও ঢাকার বনানী থানার বরখাস্ত ওসি সোহেল রানা। কলকাতায় থানায় হাজিরা না দেয়ায় শুরু হয় তার খোঁজ। রানা কীভাবে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের নজর এড়িয়ে পালালেন তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও পুলিশ এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি।

শনিবার (২১ জানুয়ারি) এ বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের কাছে পুলিশ রিপোর্টে বিষয়টি উল্লেখ করছেন অনুপ্রবেশ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে ২০২১ সালে ৮ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার হন সোহেল।

আদালতের কাছে পুলিশের দেয়া প্রতিবেদনে জানানো হয়, কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থাকার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে সপ্তাহে একদিন হাজিরা দেয়ার শর্তে রানাকে জামিন দেন বিচারক। কিন্তু বিচারকের দেয়া শর্ত উপেক্ষা করে নিজে হাজিরা না দিয়ে ই-মেইলে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে প্রথম দফায় হাজিরা দেন রানা। কিন্তু পরের সপ্তাহ থেকে ই-ইমেল কিংবা সশরীরে কোনোভাবেই উপস্থিত না হওয়ায় পুলিশ তার খোঁজ শুরু করে। তখনই বিষয়টি সামনে আসে।

কোচবিহার জেলা পুলিশ এবং মেখলিগঞ্জ থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিষয়টি স্থানীয় গণমাধ্যমের কাছে স্বীকার করলেও ক্যামেরার সামনে তারা কিছু বলতে চাননি। বিষয়টি পুলিশের শীর্ষ মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। 

২০২১ সালের ১৭ আগস্ট অগ্রিম অর্থ পরিশোধের পরও মাসের পর মাস পণ্য না পাওয়ায় ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে মামলা করেন প্রতারণার শিকার গ্রাহক মো. তাহেরুল ইসলাম। ওই সময় তার সঙ্গে প্রতারণার শিকার আরও ৩৭ জন উপস্থিত ছিলেন। গ্রাহকের ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলাটি করা হয়।  

আরও পড়ুন: পুলিশের বরখাস্ত পরিদর্শক সোহেল রানাকে সাজা দিয়েছে ভারত

আসামিরা হলেন, ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান, আমানউল্ল্যাহ, বিথী আক্তার, কাউসার আহমেদ এবং পুলিশের বনানী থানার পরিদর্শক সোহেল রানা। 

শুরু থেকেই ই-অরেঞ্জের সঙ্গে নিজের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন সোহেল রানা। তবে ই-অরেঞ্জ বাংলাদেশ নামে প্রতিষ্ঠান খুলতে নেয়া টিআইএন সনদে পরিচালক হিসেবে সোহেল রানার নাম দেখা যায়। প্রতিষ্ঠানটি থেকে বিভিন্ন সময়ে আড়াই কোটি টাকা তুলে নেয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। 

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল রানা অপরাধমূলক একাধিক কাজে নিজের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ স্বীকার করেন বলে জানান বিএসএফ কর্মকর্তারা। ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যম জানায়, সম্ভবত গা ঢাকা দেয়ার লক্ষ্যে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিলেন সোহেল রানা। ২০২১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর সোহেলকে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারের চ্যাংরাবান্ধা সীমান্ত থেকে আটক করে বিএসএফ।

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *