Skip to content

দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর | বাণিজ্য

দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর | বাণিজ্য

<![CDATA[

কক্সবাজারের মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর বাংলাদেশকে পরিণত করবে অন্যতম অর্থনৈতিক শক্তিতে। যার মাধ্যমে সংযুক্ত হবে মিয়ানমার-ভারতসহ আসিয়ান দেশগুলো। এটি দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে। এর জন্য বন্দরকে সম্প্রসারণ করে বাণিজ্যিক রূপ দিতে ১৭ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

সম্প্রতি এ বিষয়ে মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান বলেন, নির্মাণকাজ শেষ হলে এ গভীর সমুদ্রবন্দরে সবচেয়ে বেশি ধারণক্ষমতা সম্পন্ন বাণিজ্যিক জাহাজগুলো নোঙর করতে পারবে।

দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর মাতারবাড়ি ইউনিয়ন, যা মূল উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন। কয়েক বছর আগেও কেউ জানত না এখানকার অবস্থা। তবে এখানেই নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর।

এর মধ্যেই শেষ হয়েছে ১৪ দশমিক ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ চ্যানেল, যা প্রশস্ত ২৫০ মিটার ও গভীরতা ১৮ দশমিক ৫ মিটার। এ ছাড়া বাণিজ্যিক বন্দর বাস্তবায়নের জন্য চ্যানেলকে প্রশস্ত করা হয়েছে আরও ১০০ মিটার। আর কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য নির্মিত দুটি জেটিতে গত ২ বছরে ভিড়েছে ১১১টি জাহাজ।

আরও পড়ুন: মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প কাজ এগিয়েছে ৭৫ শতাংশ

এদিকে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দেশের আমদানি রফতানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর।

তারা বলছেন, পণ্য আমদানি রফতানির জন্য বিশাল সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হয়ে উঠবে এ বন্দর, যা দেশের অর্থনীতিতে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, ১৭ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন এই গভীর সমুদ্রবন্দর চালু হলে সিঙ্গাপুর বা হংকংয়ের মতো পরিকল্পিত নগরে পরিণত হবে পুরো মহেশখালী দ্বীপাঞ্চল।

সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাণিজ্যিক রূপ দিতে বন্দর নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে জানিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক জানান, ইতোমধ্যেই টেন্ডার জমা দেয়া হয়েছে। এখন টেন্ডারের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে। টেন্ডার পাস হলেই কাজ শুরু করা হবে।

এ ছাড়া মাতারবাড়ি তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পাশাপাশি নির্মাণ করা হয়েছে নিজস্ব জেটি, যা পরে সম্প্রসারণ ঘটিয়ে স্থাপিত করা হবে গভীর সমুদ্রবন্দর। এতে বিদ্যুতের পাশাপাশি অর্থনৈতিক সক্ষমতার দিকে দেশ এগিয়ে যাবে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *