Skip to content

নুরুল আলমকে সংবর্ধনা দিলো চলচ্চিত্র সংসদ | বিনোদন

নুরুল আলমকে সংবর্ধনা দিলো চলচ্চিত্র সংসদ | বিনোদন

<![CDATA[

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আন্দোলনের ৬০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে এক সভায় নির্মাতা নুরুল আলম আতিককে সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলা চলচ্চিত্র সংসদ। শনিবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ের আইআরসি সভাকক্ষে ওই আলোচনা সভা ও সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ৪৫তম আসরে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে মস্কো যাচ্ছে নুরুল আলম আতিক পরিচালিত এবং  জয়া আহসান অভিনীত চলচ্চিত্র ‘পেয়ারার সুবাস’। আগামী ২০ এপ্রিল শুরু হবে মস্কো চলচ্চিত্র উৎসবের এবারের আসর, শেষ হবে ২৭ এপ্রিল।

 

তার আগে ২৬ এপ্রিল উৎসবে পেয়ারার সুবাস এর আন্তর্জাতিক প্রিমিয়ার হবে। আয়োজক ‘বাংলা চলচ্চিত্র সংসদ’ এর পক্ষে নুরুল আলম আতিককে এ কারণেই সংবর্ধনা দেয়া হয়।

অনুষ্ঠিত ওই সভায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন চলচ্চিত্রকর্মী ফাহিম ফেরদৌস। এর বিষয় ছিল ’চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের দ্বারপ্রান্তে চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের করণকৌশল’। সভায় সভাপতিত্ব করেন চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের কর্মী বিপ্লব মোস্তাফিজ। এতে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা নুরুল আলম আতিক, কামরুল আহসান লেনিন, বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরামের সভাপতি জহিরুল ইসলাম কচি, চলচ্চিত্র গবেষক মীর শামছুল আলম বাবু এবং মীর মোকাররম হোসেন শুভ।

এছাড়াও এতে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের সাথে জড়িত নতুন ও প্রাক্তন কর্মীরা।

সভায় নির্মাতা নুরুল আলম আতিক বলেন, ‘আমাদের চলচ্চিত্রের নিজস্ব ভাষা নির্মাণ করতে হবে। আর এ কারণে আমাদের সংস্কৃতির মূলে যেতে হবে। তাহলে আমাদের চলচ্চিত্রের সংকট দূর হবে এবং আমরা বহির্বিশ্বে আমাদের চলচ্চিত্রকে তুলে ধরতে পারবো।’

 

আরও পড়ুন: ভক্তদের কাছে আবেগী মাহির খোলা চিঠি

নির্মাতা কামরুল আহসান লেনিন তার প্রথম চলচ্চিত্র তৈরির অভিজ্ঞতা নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন। তিনি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনে চলচ্চিত্র সংসদগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সরকারি অনুদানে নির্মিত চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে সেগুলো কাটিয়ে উঠতে চলচ্চিত্র সংসদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

গবেষক শামছুল আলম বাবু বলেন, মুহাম্মদ খসরুর চলচ্চিত্র বিষয়ক বইয়ের সংগ্রহশালা উদ্ধার করে চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত করার ব্যবস্থা করতে হবে। এটি কেবল চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের কর্মীরাই পারেন।

জহিরুল ইসলাম কচি বলেন, চলচ্চিত্র আন্দোলনকে বৃহত্তর পারস্পেক্টিভ থেকে দেখতে হবে। কালাকানুন কোন বিষয় নয়, যদি চলচ্চিত্র সংসদের কর্মীদের মধ্যে পারস্পারিক সাক্ষাৎ হওয়া জরুরী। তবেই চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে চলচ্চিত্র আন্দোলন আরো বেগবান হতে পারে। এর সাথে দরকার পারষ্পারিক সহযোগিতা, যা কেবল চলচ্চিত্র সংসদগুলোর ধারাবাহিক কর্মসূচির মধ্যেই সম্পর্ক। তাহলে আমরা চলচ্চিত্রের ভালো দর্শক তৈরি করতে পারবো।

প্রযোজনা সংস্থা ফিল্ম সিন্ডিকেটের সিইও ও উদ্যোক্তা মোকাররম হোসেন শুভ বলেন, চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনকে শিল্পের পক্ষে থাকতে হবে। আমাদের আন্তর্জাতিক মানের ফিল্ম উৎসব আয়োজন করতে হবে। আমাদের চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনে নারীর উপস্থিতি কম। এই জায়গাটায় ব্যালেন্স নিয়ে আসতে হবে।

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *