Skip to content

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে চাঁবিপ্রবি উপাচার্যের শ্রদ্ধা | বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে চাঁবিপ্রবি উপাচার্যের শ্রদ্ধা | বাংলাদেশ

<![CDATA[

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চাঁবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাছিম আখতার।

মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) গাজীপুরের ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

এ সময় উপাচার্য বলেন, ১৯৭২ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন। সেদিন বঙ্গবন্ধুর দেশে প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে জাতি পূর্ণাঙ্গ বিজয়ের দেখা পেয়েছিল।

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় উপাচার্যের সঙ্গে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের অধ্যাপকরা উপস্থিত ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর বিশ্ব জনমতের চাপে ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় পাকিস্তান সরকার। দীর্ঘ সাড়ে ৯ মাস পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকার পর লন্ডন ও নয়াদিল্লি হয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

লাখো জনতা সেদিন তাকে তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে খোলা ট্রাকে করে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) নিয়ে যান। সেখানে সদ্য স্বাধীন জাতির উদ্দেশে প্রায় ২০ মিনিটের আবেগঘন ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। এরপর থেকে ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে দিনটি পালন করে আসছে জাতি।

বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ কী চরিত্র নিয়ে দাঁড়াবে তার পট বঙ্গবন্ধু আঁকেন ১০ জানুয়ারির ভাষণে। একই সঙ্গে গণতন্ত্র আর সমাজতন্ত্রের সমন্বয়, যার ভিত্তিমূল ছিল অসাম্প্রদায়িকতা। তাই বঙ্গবন্ধু ধারণ করেন মানবমুক্তির দর্শন। সে অর্থে তিনি দার্শনিকও বটে। তৃতীয় বিশ্বের একটি দেশের কোনো নেতার পক্ষে এমন সফল বিজয় বিরল। ১০ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী দুদিনেই বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের ইতিহাসের গতি নির্ধারণ করে দেন। তাই তার স্বদেশে ফেরা বহুবিধ কারণেই তাৎপর্যপূর্ণ।
 

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *