Skip to content

বিচারের দাবিতে আমরণ অনশনে ববি’র ছাত্রলীগ কর্মী | বাংলাদেশ

বিচারের দাবিতে আমরণ অনশনে ববি’র ছাত্রলীগ কর্মী | বাংলাদেশ

<![CDATA[

হামলার শিকার হ‌য়ে কো‌নো বিচার না পে‌য়ে আমরণ অনশ‌নে ব‌সে‌ছেন ব‌রিশাল বিশ্ব‌বিদ‌্যাল‌য়ের ছাত্রলীগ কর্মী আয়াত উল্লাহ।

বুধবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে আমরণ অনশনে বসেছেন মার্কেটিং বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের এই শিক্ষার্থী।  আর বিচার না হওয়া পর্যন্ত অনশন ভাঙ‌বেন না তি‌নি।

বিশ্ববিদ‌্যালয় প্রশাসন বল‌ছে, এই ঘটনায় করা হয়ে‌ছে তদন্ত ক‌মি‌টি, আর অভিযোগ পাওয়ার কথা বল‌ছে পু‌লিশ।

জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট রাত ১১টার দিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হল ও শের ই বাংলা হল দখলে নিতে সশস্ত্র হামলা চালায় ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ। এ সময় প্রতিপক্ষের হামলায় আয়াত উল্লাহসহ মোট ছয়জন আহত হয়।

 

আয়াত উল্লাহ জানান, হামলাকারীদের মুখে মাস্ক ও মাথায় হেলমেটসহ হাতে দেশীয় অস্ত্র ছিল। হামলায় তার পায়ের রগ কেটে দেয়া হয়। সে ঘটনার পর এখনও তার কোন খোঁজ নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ঘটনার গত ১০ আগস্ট ৯ জনকে আসামি করে বন্দর থানায় অভিযোগ জমা দেয়া হয়।  এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছেও লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আর হামলাকারীদের নামও বলেছি। প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

আরও পড়ুন: বেরোবিতে ফলাফল জটিলতা নিরসনের দাবিতে আমরণ অনশন

আর ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত থাকার পর এখনও হামলায় জড়িতদের আইনের আওতায় না আনায় ক্ষোভের শেষ নেই তার।

এদিকে হামলার ওই ঘটনার পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে। আয়াতের ওপর হামলায় জড়িতদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন তার বন্ধু ও সহপাঠীরা। দ্রুত এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ও পুলিশ প্রশাসন ভূমিকা রাখবে বলেও আশা তাদের।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. মো. মাহফুজ আলম জানান, আবাসিক হলে হামলার ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।  তদন্ত করে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আর বরিশাল মেট্রোপলিটনের বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম
আবদুর রহমান মুকুল জানান, এ ঘটনায় এরই মধ্যে ৯ জন নামধারী ও ২০ থেকে ২৫ জনকে অজ্ঞাত করে মামলা হয়েছে।  তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।

উল্লেখ্য, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের কমিটি না থাকলেও একাধিক পক্ষ ক্যাম্পাসে সক্রিয় আছে। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এসব পক্ষ প্রায়ই সংঘাতে জড়াচ্ছে। তাদের একপক্ষ সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর অনুসারী এবং অপরপক্ষ সদর আসনের সংসদ সদস্য, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম অনুসারী বলে জানা গেছে। চলতি বছরের শুরু থেকে গত ৫ আগস্ট পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তত চারটি বড় ধরনের সংঘাত হয়েছে। আর এ সংঘাতের মধ্যেই শিক্ষকদের একটি পক্ষ সমাধানের নামে দুটি গ্রুপকে নিয়ে আলোচনায় বসেন। আর সেখান থেকে সিদ্ধান্ত দেয়া হয়, দুটি গ্রুপকে আলাদাভাবে দুটি হলে অবস্থান নেয়ার জন্য। তবে এ সিদ্ধান্ত সাধারণ ছাত্রদের জন্য নিরাপদ নয় বলে দাবি করেছেন তারা।

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *