Skip to content

বেপরোয়া হয়ে উঠছে রোহিঙ্গারা, দুশ্চিন্তায় স্থানীয়রা | বাংলাদেশ

বেপরোয়া হয়ে উঠছে রোহিঙ্গারা, দুশ্চিন্তায় স্থানীয়রা | বাংলাদেশ

<![CDATA[

দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে কক্সবাজারের ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গারা। নিজস্ব সন্ত্রাসী গ্রুপ তৈরি করে হত্যা, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক পাচারসহ করছে নানা অপরাধ। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় স্থানীয়রা। তবে পুলিশ বলছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছেন তারা।

কক্সবাজারের ৩৩টি আশ্রয় শিবিরে বসবাস করছে ১১ লাখের বেশি মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গা। প্রত্যাবাসন না হওয়ায় গেল ৫ বছরের বেশি সময় ধরে অবস্থান করছে উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায়।

কিন্তু সময় যতই গড়াচ্ছে ততই বেপরোয়া হয়ে উঠছে ক্যাম্পের অনেক রোহিঙ্গা। যাদের অনেকেই তৈরি করেছে নিজস্ব সন্ত্রাসী গ্রুপ। এসব সন্ত্রাসী গ্রুপ নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে দিনে-দুপুরে করছে গোলাগুলি, খুন, চাঁদাবাজি, মাদক পাচারসহ নানা অপরাধ। যা কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না। সচেতন মহলের দাবি, রোহিঙ্গাদের এমন অপরাধের পেছনে মিয়ানমারের ইন্ধন রয়েছে।

আরও পড়ুন: বান্দরবানের শূন্যরেখায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলি, নিহত ১

কক্সবাজার বাঁচাও আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক আয়াছুর রহমান বলেন, ‘রোহিঙ্গারা আমাদের এলাকায় এসে মানুষকে মারছে। মাঝেমধ্যেই তারা সীমান্তে গোলাগুলি করছে। এ নিয়ে আমরা স্থানীয়রা চিন্তিত।’

কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু তাহের বলেন, ‘রোহিঙ্গারা যেভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, তাতে আমার কেনো যেন মনেহচ্ছে, এসব ঘটনায় মিয়ানমারের প্রত্যক্ষ ইন্ধন রয়েছে।’

প্রতিবছর কক্সবাজার আদালতে রোহিঙ্গাদের সংগঠিত অপরাধের মামলা বাড়ছে। এমন কোনো অপরাধ নেই যা রোহিঙ্গারা করছে না বলছেন আইনজীবীরা।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পাবলিক প্রসিকিউটর ফরিদুল আলম বলেন, ‘সন্ত্রাসী কার্যক্রম থেকে মানব পাচারসহ এমন কোনো অপরাধ নেই যার সঙ্গে রোহিঙ্গারা জড়িত নয়।’

আরও পড়ুন: রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জন্য বিষফোঁড়া: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের অপরাধ প্রবণতা বাড়ায় চিন্তিত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে রোহিঙ্গাদের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছে বলে জানালেন জেলা পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু অভিযান পরিচালনা করতে আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বয় করে কাজ করছি।’

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট হতে ২০২২ সালের ২৫ আগস্ট পর্যন্ত ৫ বছরে হত্যা, ডাকাতি, অপহরণ, ইয়াবা পাচারসহ নানা অপরাধে ২ হাজার ৪৩৮টি মামলায় আসামি হয়েছে ৫ হাজার ২২৬ জন রোহিঙ্গা। আর খুন হয়েছে ১১৫ জন।

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *