Skip to content

মারামারি নয়, শান্তি ও স্থিতিশীলতা চাই | বাংলাদেশ

মারামারি নয়, শান্তি ও স্থিতিশীলতা চাই | বাংলাদেশ

<![CDATA[

যেসব দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও শান্তি-শৃঙ্খলা নেই সেখানে ভরাডুবি হয় মন্তব্য করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, তারা মারামারি নয়, শান্তি ও স্থিতিশীলতা চান। আর তা বজায় রাখতে পারলে ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে।

বুধবার (৯ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মানিক মিয়া হলে ‘বাংলাদেশের সাম্প্রতিক উন্নয়নের গতি-প্রকৃতি’ শিরোনামের এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। সেমিনারটি আয়োজন করে বাংলাদেশ স্টাডি ট্রাস্ট (বিএসটি)।

 

আগামী নির্বাচনে অর্থনৈতিক ইস্যু তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী নির্বাচনে আমাদের একটি বড় পরীক্ষা হবে। আমরা যদি শান্তি-স্থিতিশীলতা বজায় রেখে শেখ হাসিনা সরকারকে জয়যুক্ত করতে পারি। তাহলে ট্রাক রেকর্ড অনুসারে উন্নয়নের গতিধারা চালু থাকবে।’

 

নির্বাচন অত্যন্ত স্বচ্ছ ও সুন্দর হবে জানিয়ে মোমেন বলেন, 

আমার বিশ্বাস, বাঙালি জাতি অত্যন্ত পরিপক্ক, তারা আসল জায়গায়ই ভোট দেবেন। তাদের জীবনের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে জীবন সহজভাবে কীভাবে চালাতে হয়। বর্তমানে পৃথিবীতে একটি অনিশ্চয়তা চলছে। প্রায়ই বলে থাকি—যেসব দেশে রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা আছে, শান্তি আছে, সেসব দেশে অঙ্কের হিসাবে দেখলে তাদের উন্নয়ন সবচেয়ে বেশি।
 

এ সময় সিঙ্গাপুরের উদহারণ টেনে তিনি বলেন, ছোট্ট একটি দেশ, সেখানে ৬৫ বছর ধরে তারা স্থিতিশীল—আগে বাবা, এখন ছেলে দেশটি শাসন করছেন। একটা অনুর্বর ভূমি ছিল। এমন অনুর্বর ভূমি যে মালয়েশিয়া থেকে বের করে দিতে হয়। দরিদ্র জায়গা। কিন্তু রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে তারা এখন এশিয়ার নম্বর ওয়ান।

 

আরও পড়ুন: বাঙালি বিচক্ষণ জাতি, দেখে-শুনেই ভোট দেয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

 

আব্দুল মোমেন আরও বলেন, যেসব দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, শান্তি-শৃঙ্খলা নেই, সেখানে ভরাডুবি হয়েছে। ইরাক একসময় মধ্যপ্রাচ্যের অগ্রসর দেশ ছিল। সিরিয়া অনেক ভালো ছিল। আফ্রিকার মধ্যে সবচেয়ে উন্নত দেশ ছিল লিবিয়া। তাদের কোনো দেনা ছিল না। সুখে-শান্তিতে ছিল। কিন্তু তারা এখন মারামারি-কাটাকাটি নিয়ে ব্যস্ত।

 

তিনি বলেন, 

আমরা মারামারি নয়, শান্তি ও স্থিতিশীলতা চাই। আর তা বজায় রাখতে পারলে ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে। আগামী নির্বাচনে আমাদের একটি বড় পরীক্ষা হবে। আমরা যদি শান্তি-স্থিতিশীলতা বজায় রেখে শেখ হাসিনা সরকারকে জয়যুক্ত করতে পারি। তাহলে ট্রাক রেকর্ড অনুসারে তার উন্নয়নের গতিধারা চালু থাকবে। অন্যথায়, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের অভিজ্ঞতা আমাদের আছে। তখন বাংলাদেশ ছিল সন্ত্রাসী দেশ, পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। বাংলাদেশ অসভ্য দেশ, যেখানে নারী-পুরুষ ও সংখ্যালঘু কারও জীবনের নিশ্চয়তা ছিল না। আমরা সেই বাংলাদেশ দেখতে চাই না।

 

নাগরিক সংলাপে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ স্ট্যাডি ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক টিএইচ এম জাহাঙ্গীর। সংগঠনটির সাংগঠনিক সম্পাদক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান লিটুর সঞ্চালনায় সংলাপের কি-নোট উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সাহাদাত হোসেন সিদ্দিকী।

 

সংলাপে বিএসটির ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. উত্তম কুমার বড়ুয়ার সভাপতিত্বে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মিল্টন বিশ্বাস, সম্প্রীতি বাংলাদেশের সদস্য সচিব প্রফেসর ডা. মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ফারুক শাহ, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার সম্পাদক ড. খান আসাদুজ্জামান এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বাহাদুর ব্যাপারী আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *