Skip to content

রেলে নতুন টিকিট পদ্ধতির উদ্বোধন | বাংলাদেশ

রেলে নতুন টিকিট পদ্ধতির উদ্বোধন | বাংলাদেশ

<![CDATA[

রেলে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দিয়ে ‘টিকিট যার, ভ্রমণ তার’ নতুন পদ্ধতির টিকিট ব্যবস্থার উদ্বোধন করেছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন।

বুধবার (০১ মার্চ) সকাল ৮টায় রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে টিকিট কাটার নতুন এ পদ্ধতি উদ্বোধন করেন তিনি।

সকালে মন্ত্রী কমলাপুর রেলস্টেশন পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের জানান, এনআইডি দিয়ে কাটতে হবে টিকিট। শুধু তাই নয়, ভ্রমণের সময় রাখতে হবে এটি। টিকিটে দেয়া তথ্যের সঙ্গে পরিদর্শিত এনআইডির সঙ্গে মিল না থাকলে যাত্রী অবৈধ বলে গণ্য হবেন। আজ সকাল থেকে তা কার্যকর হলো।

মন্ত্রী আরও বলেন, টিকিট কালোবাজারি প্রতিরোধে এ সিদ্ধান্ত রেলের। পর্যায়ক্রমে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে আরও উদ্যোগ নেয়া হবে।

আরও পড়ুন: ট্রেনের টিকিট কাটা ও ভ্রমণে আসছে নতুন নিয়ম

প্রথম দিনে মানুষের ভোগান্তি কিছুটা হলেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেক সাধারণ যাত্রী রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েন।

আজ সকাল ৮টা থেকে ট্রেনের টিকিট কেটে ভ্রমণ করতে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। একই সঙ্গে এ ব্যাপারে স্বচ্ছতা আনতে রেলবহরে যোগ হলো পস মেশিন।

এর আগে ১৫ ফেব্রুয়ারি রেলভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ‘টিকিট যার, ভ্রমণ তার’ এই মর্মে জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে টিকিট কেটে ট্রেনে ভ্রমণ করতে হবে। অন্য কারও তথ্য ব্যবহার করে ভ্রমণ করলে জরিমানা করা হবে। যাত্রীর টিকিটের সঙ্গে মেলানো হবে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য। না মিললে বিনা টিকিটে যাতায়াত করছেন বলে তাকে অভিযুক্ত করা হবে। এরপর মুখোমুখি হতে হবে জরিমানার। ১ মার্চ থেকে কার্যকর হবে এ সিদ্ধান্ত। 
এ ছাড়া ১২-১৮ বছর বয়সী যাত্রী যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই তারা বাবা অথবা মায়ের এনআইডি দিয়ে টিকিট কাটতে পারবেন। বিদেশিরা পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে ও পাসপোর্টের ছবি আপলোড করে নিবন্ধন করতে পারবেন। এ ছাড়া ভ্রমণকালে যাত্রীকে অবশ্যই নিজস্ব এনআইডি বা জন্মনিবন্ধন সনদের ফটোকপি অথবা পাসপোর্ট, ছবিসংবলিত আইডি কার্ড সঙ্গে রাখতে হবে।

ট্রেনে পস মেশিন ব্যবহার বিষয়ে ওই দিন রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ১০০টি পস মেশিনের মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু করা হবে। এর মাধ্যমে একজন যাত্রীকে স্থান-কালভেদে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অনলাইন বা অফলাইনে নগদ, ক্যাশ দেয়ার মাধ্যমে টিকিট ইস্যু করা সম্ভব হবে। পস মেশিনের মাধ্যমে টিটিই বা ভ্রাম্যমাণ রেল টিকিট পরীক্ষক দ্রুততম সময়ের মাধ্যমে টিকিট হস্তান্তর হয়েছে কি না অথবা বিনা টিকিটের যাত্রী কি না তা যাচাই করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবেন। যাত্রী নগদ অর্থ বা ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে টিকিটের ভাড়া পরিশোধ করবেন।

অন্যদিকে যাত্রীরা অনলাইনে টিকিট ফেরত দিতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে রেলসেবা অ্যাপ বা রেলওয়ের টিকিটিং ওয়েব পোর্টালে ঢুকে নিজস্ব আইডিতে টিকিট রিফান্ড অপশনে গিয়ে তথ্য দিতে হবে। পরবর্তীতে রেলওয়ের টিকিটিং সিস্টেম থেকে তথ্য যাচাই করে সঠিক পাওয়া গেলে টিকিট রিফান্ড করা হবে।

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *