Skip to content

শাবিপ্রবির ডাকবাক্সে আসে না প্রিয়জনের চিঠি | ফিচার

শাবিপ্রবির ডাকবাক্সে আসে না প্রিয়জনের চিঠি | ফিচার

<![CDATA[

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)। নামের সঙ্গেই বোঝা যায় প্রযুক্তির বিষয়ের সঙ্গে কতটা পরিচিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। একসময় শাবিপ্রবির ডাকঘরে প্রিয়জনের প্রচুর চিঠি আসত, কিন্তু এখন আর আসে না।

ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের একসময় যোগাযোগের বড় মাধ্যম ছিল শাবিপ্রবি পোস্ট অফিসের এই ডাকবাক্স। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের নিকট কেবল স্মৃতি হয়ে আছে এটি। প্রিয়জনের চিঠির অপেক্ষায় আর কারো প্রহর কাটে না এখানে। সেই মায়ায় জড়ানো আবেগ শেষ হয়েছে বহুদিন আগেই।

 

শাবিপ্রবি পোস্ট অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডাকপিয়ন মো. মাহতাব উদ্দিন জানান, ১৯৯২ সালের ০১ জুলাই শাবিপ্রবি পোস্ট অফিসের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের পর থেকে দেখা যেত প্রতিদিন প্রায় হাজারের কাছাকাছি চিঠিপত্র এই ডাকবাক্সে জমা পড়ত। এখন প্রিয়জনের চিঠি নেই বললেই চলে। এখন মাস হিসাব করে চার থেকে পাঁচটার মতো চিঠি এই ডাকবাক্সে জমা পড়ে।

আরও পড়ুন:সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্যের ১৫ বছর

তবে শিক্ষকদের অফিসিয়াল চিঠিপত্র থেমে নেই। প্রতিদিন শিক্ষক কর্মকর্তা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ডকুমেন্টস পোস্ট অফিসে জমা পড়ে।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষাজীবনের শুরুকালে চিঠি লেখার বিষয়টি পাঠ্যবইয়ের মাধ্যমে শিখেছি। বাস্তবজীবনে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেই পরিবারের বাইরে থাকতে হচ্ছে। পরিবারের বাইরে থাকলেও যোগাযোগটা কেবল মোবাইলসহ অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে করা হচ্ছে। তবে সেই পাঠ্যবইয়ে পরিবার প্রিয়জনের নিকট শেখা চিঠি লেখার বিষয়গুলো বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ব্যবহার করা হয়ে ওঠেনি। 

 

আরেক শিক্ষার্থী মিফতাহুল জান্নাত লাবিবা বলেন, চিঠি লিখা এবং পাওয়া দুটোই আমার কাছে অনেক আবেগের। ক্যাডেট কলেজে পড়ার সুবাদে প্রতি সপ্তাহে বাসায় চিঠি লিখা ছিল বাধ্যতামূলক। সারাদিনের ব্যস্ততায় এই চিঠি লিখাটা তখন বোঝাস্বরূপ লাগলেও এখন চিঠি লিখার আবেগটা বেশ উৎকণ্ঠা সৃষ্টি করে।  কিন্তু বর্তমানের মোবাইল ও ইন্টারনেটের দুনিয়ায় ডাক যোগাযোগ ব্যবস্থা মৃতপ্রায়। কদিন আগেও বান্ধবীদের আবেগ দিয়ে চিঠি পাঠানোর পর দেখি অপেক্ষার প্রহর আর শেষ হয় না। গন্তব্যে পৌঁছায় না চিঠি!

প্রিয়জনদের নিয়মিত চিঠি আদান প্রদানের মাধ্যমে ভাব বিনিময়ের প্রচেষ্টাই  ডাক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে পুনরায় বাঁচিয়ে তুলতে পারে বলে মনে করছেন শিক্ষার্থীরা। 

 

আরও পড়ুন:গানে গানে রাস্তার আবেদন জানালেন শিল্পী পাগল হাছান

পোস্ট অফিসের টাউন সাব পোস্টমাস্টার মো. আবু তাহের বলেন, আমাদের ডাকবাক্স এখনো চলমান, তবে পরিসরটা অনেকাংশে কমে গেছে। আগে যেভাবে প্রতিদিন অনেক চিঠি এই ডাকবাক্সে জমা পড়ত। এখন ডাকবাক্সে চিঠিপত্র হঠাৎ হঠাৎ জমা পড়ে।

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *