Skip to content

শ্যালিকাকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে দুই শিশুকে হত্যা, কারাগারে ইলিয়াস | বাংলাদেশ

শ্যালিকাকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে দুই শিশুকে হত্যা, কারাগারে ইলিয়াস | বাংলাদেশ

<![CDATA[

শ্যালিকাকে ধর্ষণচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে বরগুনায় দুই শিশুকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন অভিযুক্ত ইলিয়াস। শনিবার সকালে বরগুনার অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জবানবন্দি দেন তিনি। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

নিহত দুই শিশুর মধ্যে ছেলেশিশুর বয়স ১৩ বছর, আর মেয়েশিশুর বয়স ৩ বছর। এ ঘটনায় আহত শ্যালিকা রিগান আক্তার বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এর আগে শুক্রবার (৪ আগস্ট) রাত দশটার দিকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বরগুনা সদর থানায় ইলিয়াসকে একমাত্র অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বাদি হয়েছেন নিহত শিশু তাইফার মামা মো. রিপন সরদার।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বরগুনা সদর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) হেলাল উদ্দিন বলেন, সকালে ইলিয়াসকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে স্বেচ্ছায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে আদালত ইলিয়াসকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

আরও পড়ুন: বরগুনায় ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ২ শিশুকে কুপিয়ে হত্যা

এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ, কে, এম মিজানুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডের পরপরই আমার ঘটনায় জড়িত ইলিয়াসকে শনাক্ত করে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। এ মামলার বিচারক কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করবো।

প্রসঙ্গত গত বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) রাতে বরগুনা সদর উপজেলার ফুলঝুড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম গুদিঘাটা গ্রামের নিজ বাড়িতে নিজের শিশুকন্যা তিন বছর বয়সী তাইফা ও প্রতিবেশী আরেক শিশু হাফিজুরকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন গৃহবধূ রিগান। এসময় রিগানের ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় দুলাভাই ইলিয়াস। তাদের ধস্তাধস্তিতে একপর্যায়ে ঘুম ভেঙে যায় দুই শিশুর। এতে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে রিগানসহ দুই শিশুকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায় ইলিয়াস।

এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন ১৩ বছর বয়সী শিশু হাফিজুর আর বরগুনা সদর হাসপাতাল থেকে বরিশাল নেয়ার পথে মারা যায় তিন বছর বয়সী অপর শিশু তাইফা। 

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *