Skip to content

সরকারি প্রণোদনায় অনাবাদি জমিতে বাড়ছে চাষাবাদ | বাংলাদেশ

সরকারি প্রণোদনায় অনাবাদি জমিতে বাড়ছে চাষাবাদ | বাংলাদেশ

<![CDATA[

সরকারি নানা প্রণোদনায় বাগেরহাটে বাড়ছে অনাবাদি জমিতে চাষাবাদ। উৎপাদন হচ্ছে শাক-সবজিসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল। বিনামূল্যে বীজ, সার পেয়ে খুশি কৃষকরা।

বাগেরহাটের বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বাড়ির আঙ্গিনাসহ আশ্রয়ণ প্রকল্পের অনাবাদি ও পতিত জমিতে চাষাবাদ হচ্ছে শাক-সবজিসহ নানা জাতের ফসল। এছাড়া, এক ফসলি জমিকে দ্বি-ফসলি এবং দ্বি-ফসলি জমিকে তিন ফসলি জমিতে রূপান্তর করে হচ্ছে চাষাবাদ। সরকারের নানা প্রণোদনায় বিনামূল্যে বীজ ও সার পেয়ে কৃষকদের মাঝে দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে। চলতি মৌসুমে বৃদ্ধি পেয়েছে বোরো ধান, সূর্যমুখী, চীনা বাদাম, ভুট্টা, সরিষা, তরমুজসহ নানা সবজি উৎপাদন।

বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. হারুন অর রশিদ বলেন, ‘আমাদের অফিস চত্বরে ও কোয়ার্টারের পাশে পতিত জমিতে সবজি চাষ করে ব্যাপক সফলতা আসছে। কৃষি বিভাগের সহায়তায় বীজ,সারসহ নানা উপকরণ পেয়ে ২৫ শতক জমিতে সূর্যমুখী, চীনা বাদাম, বেগুন, লালশাক চাষ করা হয়েছে। আশাকরি আগামীতে আরও ফসল উৎপাদন করা হবে।’

মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। আর কৃষকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি মাটি অনুযায়ী চাষোপযোগী বীজ সরবরাহ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: নীলফামারীতে বাড়ির আঙিনায় শোভা পাচ্ছে পারিবারিক পুষ্টি বাগান!

বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নানা সমস্যার কারণ দেখিয়ে যেসব জমি অনাবাদি রেখে দিত সেসব জমিতে ফসল উৎপাদন করে সফলতা পেয়েছে কৃষকরা। এক ফসলি জমিকে দ্বিফসলি এবং দ্বিফসলি জমিকে তিন ফসলি জমিতে রূপান্তর করায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছে। বাড়ছে খাদ্য উৎপাদন। চলতি মৌসুমে বোরো ধান, সূর্যমুখী, চীনা বাদাম, ভুট্টা, সরিষা, তরমুজসহ নানা সবজি উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।’

রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়ন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পবিত্র ভট্ট বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ে অনাবাদি জমিতে চাষাবাদের জন্য কৃষকদের সার্বক্ষণিক তদারিক করা হচ্ছে। যার ফলে অনাবাদি জমিতে সবজিসহ নানা ফসল উৎপাদন করে নিজেরা খাচ্ছেন ও বাজারে বিক্রি করতে পারছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।’

বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান বলেন, ‘এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি রাখা যাবে না, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি। যেসব জমি এখনো অনাবাদি রয়েছে সেসব জমি চাষাবাদের আওতায় আনার জন্য সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কৃষি বিভাগকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

জেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, বাগেরহাট ৩ হাজার ৮৮০ হেক্টর অনাবাদি জমির মধ্যে বর্তমানে ৩ হাজার ৮৬ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হচ্ছে।

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *