Skip to content

সাভারের অলিগলিতে মানহীন ক্লিনিক | বাংলাদেশ

সাভারের অলিগলিতে মানহীন ক্লিনিক | বাংলাদেশ

<![CDATA[

সাভারে রাস্তার অলিগলি ও মোড়ে মোড়ে গড়ে উঠেছে অসংখ্য বেসরকারি ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতাল। ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা এসব প্রতিষ্ঠানে কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন না শিল্পাঞ্চলের মানুষ। চটকদার বিজ্ঞাপন দেয়া এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে রয়েছে ভুল চিকিৎসায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগও। অনিয়মের নানা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ইতোমধ্যে সিলগালা করা হয়েছে ১৬টি হাসপাতাল ও ক্লিনিক।

ঢাকার উপকণ্ঠের শিল্পাঞ্চল সাভার ও আশুলিয়ায় কাজের সন্ধানে সারা দেশ থেকে আসেন হাজার হাজার মানুষ। এতে এলাকায় প্রতিনিয়তই বাড়ছে নানা রোগে আক্রান্তের সংখ্যা। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের নামে বাণিজ্য চালাচ্ছে প্রতারক চক্র।

এলাকার বিভিন্ন স্থানে নিয়মনীতি ছাড়াই গড়ে উঠেছে অসংখ্য হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা এসব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে নেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, আইসিইউ, সিসিইউসহ উন্নত চিকিৎসাসেবা প্রদানের উপকরণ। অভিযোগ আছে ভুল চিকিৎসায় রোগী মৃত্যুরও।

আরও পড়ুন: অলিগলিতে অবৈধ ক্লিনিক, অনুসন্ধানে উঠে এল যে তথ্য

ভুক্তভোগীরা বলছে, অনেক সময় দেখা যায় ডাক্তার আসে না কিন্তু রোগী রয়েছে। রোগীরা জানেও না তারা কাকে দেখাচ্ছেন। ফলে ভুল চিকিৎসায় রোগী মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।

তবে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে নিয়ম মেনেই চলছে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম বলে দাবি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক মালিকদের।

নোবা হসপিটালের ম্যানেজার আজিজুল হাকিম বলেন, ‘আমরা খুব স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছি। এবং আমরা সব রকম নিয়ম মেনেই চিকিৎসা সেবা দিচ্ছি। অল্প টাকায় সিজার করছি, তবে আমরা রোগীদের সাধারণত নরমাল ডেলিভারিতে উৎসাহী করি।’

আরও পড়ুন: সরকারি হাসপাতালে ক্লিনিকের বেতনভুক্ত দালালের দৌরাত্ম্য

দি ল্যাবএইড হসপিটালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মশিউর রহমান বলেন, ‘আজকে আমি সুস্থ কাল তো আমিও অসুস্থ হতে পারি। তখন যদি ভুল চিকিৎসা পাই তখন আমার ও আমার পরিবারের কী হবে! এসব বিবেচনা করে আমরা চেষ্টা করি কমমূল্যে সর্বোচ্চ সেবা দিতে।’

এদিকে, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান, অনিয়মের অভিযোগের প্রমাণ মেলায় এরইমধ্যে সিলগালা করা হয়েছে ১৬টি হাসপাতাল ও ক্লিনিক।

আরও পড়ুন: ঢাকাতে অনুমোদনহীন কোনো ক্লিনিক নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সায়েমুল হুদা বলেন, ‘একটা হাসপাতাল চালাতে বিধিমোতাবেক যে সকল ম্যাটেরিয়ালস, লজিস্টিকস ও প্রয়োজনীয় স্পেস যেখানে নেই, আমরা তাদের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করে দেই।’

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্যমতে, সাভারে ১০৮ টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক থাকলেও অনুমোদন রয়েছেন ৯০টির।

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *